Monday, August 24, 2015

আইটি বিষয়ক পোসট !!!

(সংগৃহীত পোসট।)

☞ ইন্টারনেটের জনক - ভিন্টন গ্রে কার্ফ
☞ ই মেইলের জনক - র্যায়মন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন।
☞ মাইক্রোসফটের জনক - বিল গেটস।
☞ www-এর জনক - টিম বার্নাস লি।
☞মোবাইল ফোনের জনক - মার্টিন কুপার।
☞ গুগলের জনক - সার্জেই বিন।
☞ ফেসবুকের জনক - মার্ক জুকারবার্গ।
☞ টুইটারের জনক - জ্যাক ডোরসেই।
☞ ই বুকের জনক - মাইকেল এস হার্ট।
☞ সিডি এর জনক - নোরি ও ওগো।
☞ কম্পিউটার মাউসের জনক - ডগলাস এঙ্গেলবার্ট।
☞ আধুনিক ল্যাপটপের জনক - বাল মেগারিজ।
☞ সার্চ ইঞ্জিনের জনক - এলান এমটাজ।
☞ ডিজিটাল ক্যামেরার জনক - স্টিভেন জে সিসোন।
☞ ATM-এর জনক - জন শেফার্ড ব্যারন।
☞ উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা - জিমি ওয়েলস।

=> (জানব , জানাব,
ভাল পোষ্ট শেয়ার করব।) :)

Sunday, August 23, 2015

শব্দ ভান্ডার - ২

What = কি
Why = কেন
Whom = কাকে
How = কিভাবে / কেমন
Where = কোথায়
When = কখন
Which = কোনটি
Whose = কারটি
Who = কে
Who = কে কে

(জানব , জানাব,
ভাল পোষ্ট শেয়ার করব।)

সাধারণ জ্ঞ্যান - (জ্ঞ্যানের সম্ভার ১৪) :-

»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»»

★ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস - ১৪ ডিসেম্বর
★ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস - ১৪ নভেম্বর
★ পবিত্র কোরানের মোট সূরা - ১১৪ টি
★ পানামা খালের গভীরতা - ১৪ মিটার
★ চীনের প্রতিবেশী দেশ - ১৪ টি
★ পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস - ১৪আগষ্ট
★ ১০ম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহনকরে - ১৪টি দেশ
★ সনেটে পংক্তি বা লাইন থাকে - ১৪টি
★ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত মোট উপন্যাস - ১৪টি
★ মনমোহনসিং ভারতের - ১৪তম প্রধানমন্ত্রী
★ কুরআনে মোট সিজদার আয়াত - ১৪টি
★ জাতিপুঞ্জচুক্তিতে মোট - ১৪টি দফা ছিল
★ বাংলাদেশে পরমান ুচিকিৎসা কেন্দ্র - ১৪টি

(সংগৃহীত পোস্ট। শেয়ার করুন, আর অন্যকেও জানার সুযোগ করে দিন।)

Thursday, August 20, 2015

@ বুকলিস্ট ফর ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল, মেরিন স্টুডেন্টস... @

(তথ্যটি সম্পূর্নই ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত। সকলের সুবিধার্থে পোস্টটি করা হয়েছে।)

এবারে যারা নতুন চান্স পেয়েছ। তাদেরকে প্রথমেই স্বাগত জানাচ্ছি ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফে। নতুন চান্স পাওয়া এবং যারা এবার পরীক্ষা দিয়েছ অর্থাৎ নতুন সেমিস্টারের ছাত্রছাত্রী ইত্যাদি সকলেরই ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবার বোর্ড থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তাই যারা এখন বই কেনার প্রতি জুকছো, তাদেরকে বলছি নিন্মের ফাইলটি ডাউনলোড করো এবং তোমার সেমিস্টারের নির্দিষ্ট বইগুলো জেনে নাও...!! তাই এখনি ডাউনলোড করুন নিচের ফাইলটি। সবাইকে ধন্যবাদ। :)

ডিপ্লোমাভিত্তিক নিউজ-ইনফরমেশনের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। #ডিপ্লোমেটিকস্টুডেন্টস :)


@@@ বাংলাদেশের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসমূহের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা। @@@

১. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-02-9116724
ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ১৬০
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৮০
আর্কিটেকচার ৪০
মেকানিক্যাল ৮০
কেমিক্যাল ৪০
অটোমোবাইল ৪০
ফুড ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০
এনভায়নমেন্টাল ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০

২. ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-02-9114013
ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
আর্কিটেকচার ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০

৩. ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-091-54294
ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৮০
মেকানিক্যাল ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০

৪. ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0631-63598
ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৮০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০ কম্পিউটার ৪০

৫ . টাংগাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0921-53237
টাংগাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কনষ্ট্রাকশন ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০
টেলিকমিউনিকেশন ৪০

৬.চট্রগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-031-62534
চট্রগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৮০
মেকানিক্যাল ৮০
এনভায়নমেন্টাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০

৭. কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-081-76077
কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০

৮.টাংগাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0921-53237
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০

৯.বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কাপ্তাই
ফোনঃ 88-03529-251
বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল (উড) ২০
ইলেকট্রিক্যাল ২০
কম্পিউটার ৪০
মেকানিক্যাল ২০
অটোমোবাইল ২০
কনষ্ট্রাকশন ৪০

১০.পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0731-65844
পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
কনষ্ট্রাকশন ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
এনভায়নমেন্টাল ৪০

১১ .রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 0521-63513
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের
টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০

১২.দিনাজপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
ফোনঃ 88-031-62534
দিনাজপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের
টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০

১৩.খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-041-762352
খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের
টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৮০
কম্পিউটার ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল ৪০
এনভায়রনমেন্টাল ৪০

১৪.যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0421-73436
যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
টেলিকমিউনিকেশন ৪০

১৫.কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ ------
কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০

১৬.বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0431-53184
বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০

১৭.পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0441-62345
পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০

১৮.সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0821-716372
সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের
টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০

১৯.রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 0721-761977
রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৪০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
মেকাট্রনিক্স ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০

২০.বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 051-66152
বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের
টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিভিল ৮০
ইলেকট্রিক্যাল ৪০
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
মেকানিক্যাল ৪০
পাওয়ার (অটো) ৪০
মাইনিং এণ্ড মাইন সার্ভে ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০

২১.গ্রাফিক্স আটর্স ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 9113896
গ্রাফিক্স আটর্স ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
গ্রাফিক্স ডিজাইন ৪০
প্রিন্টিং ৪০

২২.বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিক্স
ফোনঃ 88-02-9110319
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিক্স টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সিরামিক্স ৮০
গ্লাস ৪০

২৩.বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা
ফোনঃ 88-081-68477
বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
সার্ভে ৪০

২৪.চট্টগ্রাম মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-031-2512074
চট্টগ্রাম মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
গামের্ন্টস ডিজাইন এন্ড প্যার্টান মেকিং ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০

২৫.ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, ফেনী
ফোনঃ 331-61888
ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, ফেনী টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ৪০
ডাটা টেলি কমিউনিকেশ এন্ড নেটওয়ার্কিং ৪০

২৬.কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0581-61688
কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কনষ্ট্রাকশন ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০

২৭.নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0721-62070
নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ফুড ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০
এনভায়নমেন্টাল ৪০

২৮.ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0561-61400
ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউ টের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০
কম্পিউটার ৪০
ফুড ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০

২৯.সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0471-65170
সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০
এনভায়নমেন্টাল ৪০

৩০.ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোন: 88-0451-61385
ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
এনভায়নমেন্টাল ৪০
সিভিল ৪০

৩১.সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0751-64286
সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
সিভিল ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০

৩২.ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-04922-56375
ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
সিভিল ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০

৩৩.খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-041-2850092
খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
এনভায়নমেন্টাল ৪০

৩৪.রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0721-861344
রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
ইলেকট্রনিক্স ৪০
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল ৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন ৪০

৩৫.চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-08425-56205
চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ৪০
কনষ্ট্রাকশন ৪০

৩৬.শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
ফোনঃ 88-0931-62534
শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা:
কম্পিউটার ৪০
ইলেকট্রনিক্স ৪০
টেলিকমিউনিকেশ ৪০
ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল ৪০

(উপরিউক্ত তথ্যগুলো সম্পূর্নই ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।)
সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ... :)

কম্পিউটার-৫ম পর্বের জন্যে ব্যাবহারিক পরীক্ষার বিষয়বস্তু।

(শুধুমাত্র নর্সিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।)

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
কম্পিউটার আর্কিটেকচার ব্যবহারিক -
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
১ , ২ , ৪ এবং ১১ নং জব করতে হবে।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারিক-
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
২য় নং জব কে দুইটা করতে হবে এবং ছয় নং জব করতে হবে। মোট তিনটা।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ - 3 ব্যাবহারিক-
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
1. ax^2+bx+c=0
2.Factorial
3.1^2+2^2+3^2 +......+n^2
4. অসমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্নয়
5. Grading.
6. Prime.
7. 3 -টি সংখ্যার মাঝে বের করার প্রগ্রাম।
(বিঃদ্রঃ চিত্রসহ প্রত্যেকটা জব করতে হবে।)

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মাইক্রোপ্রসেসর এন্ড মাইক্রোকম্পিটার ব্যবহারিক-
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
বইয়ের প্রথম ৬ টা।

(শুধুমাত্র নর্সিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।)

আজকের মতন এখানেই। আল্লাহ হাফেজ। :)
টি এইচ মুন্না, ৫ম পর্ব,
নর্সিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।

Tuesday, August 18, 2015

ইলেকট্রিক্যাল ছাত্রদের জন্য কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?

Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ
AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা
ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার
ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী
প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।
AC= Alternating Current
DC= Direct Current
AC  হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে
৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে
DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক
পরিবর্তন করে না ।

ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া
হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?

আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার
করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ)
ইলেকট্রনিক রেগুলেটর। ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয়
ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার
সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে
কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয়
উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে
ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি
কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয়
ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায়
একই হয়।
অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর
জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে
অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায়
রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার
গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে
বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার
করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।

ভোল্টামিটার এবং অ্যামমিটারকে বর্তনীতে
কিভাবে যুক্ত করা হয় ?

তড়িৎ বর্তনীর যে দুটি বিন্দুর বিভব প্রভেদ মাপতে হবে
সেই দুটি বিন্দুর সঙ্গে ভোল্টামিটারকে সমান্তরাল
সমবায়ে যুক্ত করা হয় । আবার কোনো তড়িৎ বর্তনীর
প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করতে অ্যামমিটারকে
তড়িৎবর্তনীতে শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করা হয় ।
আমিটারকে বর্তনীর সাথে সিরিজে এবং ভোল্টমিটারকে
প্যারালালে সংযুক্ত করতে হয়।

ট্রাঞ্জডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য
কি?

Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়।
ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure
নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V ,
0 – 20mah হয়।
গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি
গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে,
অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।
চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core
এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ
প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য
Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।
আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া
যায়।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার
শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।
আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন
যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ
যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।

এ্যামপিয়ার টার্ন কি?

ম্যাগনেটিক সার্কিটের তারের পেঁচ ও প্রবাহিত কারেন্টের
গুণফলকে এ্যামপিয়ার টার্ন বলে। এটি ম্যাগনেটো
মোটিভ ফোর্স বা এম.এম.এফ. এর একক।
এ্যামপিয়ার টার্ন AT, কারেন্ট I এবং তারের পেঁচ সংখ্যা
N হলে,
AT = IN

রিল্যাকট্যান্স কি?

ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স পথের বাধাকে রিল্যাকট্যান্স বলে।
এটি ইলেকট্রিক সার্কিটের রেজিস্ট্যান্সের মত। এর
প্রতীক R এবং একক এ্যামপিয়ার টার্ন/ওয়েবার।
দৈর্ঘ্য L, এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ, ভ্যাকুয়ামে
এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ০ ক্ষেত্রফল A হলে,
R = L/µ0µA
ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড কি?
যে স্থানে একটি একক চার্জ যে বল অনুভব করে তাকে
ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড বলে।

বৈদ্যুতিক বল রেখার বৈশিষ্ট্য কি?

১. বৈদ্যুতিক বল রেখা পজেটিভ চার্জ হতে বের হয়ে
নেগেটিভ চার্জে শেষ হয়।
২. বল রেখাগুলো খোলা ও বক্র।
৩. বল রেখাগুলো পরস্পরকে কখনও ছেদ করে না।
৪. বল রেখাগুলো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয়।
৫. বল রেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্ব চাপ দেয়।

পোষ্ট দাতা:-সিয়ামুল সিয়াম , ৩য় পর্ব, জাহানারা কুদ্দুস ইঞ্জিনিয়ারিং  ইন্সটিটিউট আশুগঞ্জ,ব্রাক্ষনবাড়িয়া।

*** নির্মাণ প্রকৌশলীদের জন্য অতীব গুরত্বপুর্ণ কিছু তথ্য-সম্বলিত একটি পোস্ট! ***

Diplomatic Students এর পক্ষ্য থেকেঃ-


১ চেন = ২২ গজ = ৪৪ হাত = ৬৬ফুট = ১০০ লিঙ্ক বা কড়ি ,
১ কড়া = ২১৭.৮ বর্গফুট ,
৪ কড়া = ১ গন্ডা = ৮৭১.২ বর্গফুট ,
২০ গন্ডা = ১ ছটাক = ১ কানি বা আনা = ১৭২৮০ বর্গফুট = ৪০ একর ,
১৬ ছটাক = ১কাঠা ,
১কাঠা = ৭২০বর্গফুট = ৮০বর্গগজ ,
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গমিটার ,
১বিঘা = ২০কাঠা = ৩৩শতাংশ = ১৪৪০০ বর্গফুট ,
১একর = ৪৮৪০বর্গগজ = ১০০শতাংশ = ৪৩২০০ বর্গফুট = ৬০.৫ কাঠা ,


*** সাধারণ পরিমাপঃ ***

১ফুট = ১২ইঞ্চি ,
১হাত = ১৮ইঞ্চি ,
১মাইল = ১৭৬০গজ ,
১গজ = ৩৬ইঞ্চি= ৩ফুট= ২হাত ,
১চেইন = ২২গজ = ৬৬ফুট ,
১কেজি = ১০০০গ্রাম ,
১কুইন্টাল = ১০০কেজি ,
১মেট্রিকটন = ১০কুইন্টাল = ১০০০কেজি ,
১মিটার = ১০০সেন্টিমিটার ,
১কিলোমিটার = ১০০০মিটার ,
১গ্রাম = ১০০০মিলিগ্রাম ,
১লিটার = ১০০০সিসি ,
১মণ = ৪০সের ,
১সের = ১৬ছটাক ইত্যাদি। :)

প্রতিদিন এরকম হাজারো শিক্ষামূলক পোস্ট পেতে এখনি ডাউনলোড করুন, বাংলাদেশের একমাত্র ডিপ্লোমাভিত্তিক স্টাডি App++Blog:-
Download App: http://bit.ly/diplomaticstudentsupdate
(আমাদের APP এ "Diploma Blog" নামের সেকশনে প্রতিদিন এরকম ডিপ্লোমাভিত্তিক এডুকেশনাল-হেল্পিং-ইনফরমেশনাল-ইন্টারেস্টিং-জ্ঞ্যানমূলক ইত্যাদি পোস্ট পাবেন।)
এছাড়াও CGPA বের করা, IT বিষয়ক সকল শব্দের সমাহার, গাণিতিক বিভিন্ন সুত্রাবলি সহ আরো বিভিন্ন সুবিধা পাবেন আমাদের APPটির মাধ্যমে...

তাই এখনি ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের একমাত্র ডিপ্লোমাভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ্লিক্যাশন #DiplomaticStudents
Our Facebook page Link: http://facebook.com/DiplomaticStudents
Our App Download Link: http://bit.ly/diplomaticstudentsupdate (App size only 860kb.)

বিঃদ্রঃ আপনার টাইমলাইনে পোস্টটি শেয়ার করে, অন্যকেও দেখার সুযোগ করে দিন প্লিজ... :)

Monday, August 17, 2015

*** Breaking News - CMT 5th sem. practical exam routine - of NPI ***

নরসিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার ৫ম পর্বের Practical Exam Routine পাবলিশ করা হয়েছে।
নিন্মে তা উল্লেখ্য করা হলোঃ

Group-1= Roll-630100-630139 [7:30am-10:30am]
Group-2= Roll-630140-630165 [10:30am-1:30pm]





     (Date) -------(Subject Name).
-----------------------------------
-----------------------------------
*20-08-15> Microprocessor-1
*22-08-15> Computer Architecture.
*23-08-15> Web Design.
*24-08-15> Database Management.
*25-08-15> Programming Language-3.

আরো আপডেটের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ। :)
টি এইচ মুন্না, ৫ম পর্ব, নরসিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।

ইলেকট্রনিকস এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

১। বিদ্যুৎ কি? কত প্রকার এবং কি কি?
উত্তরঃ বিদ্যুৎ এমন এক অদৃশ্য শক্তি যা আলো, শব্দ,
গতি এবং রূপান্তরিত শক্তি ইত্যাদি উৎপন্ন করে বিভিন্ন
বাস্তব কাজ সমাধা করে।
বিদ্যুৎ ২(দুই) প্রকার। (i) স্থির বিদ্যুৎ (ii) চল বিদ্যুৎ
২। কারেন্ট কি? কত প্রকার এবং কি কি?
উত্তরঃ পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রনসমূহ কোন
নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকে কারেন্ট বলে।
কারেন্টের প্রতীক I (আই) এবং একক Ampere
(অ্যাম্পিয়ার), সংক্ষেপে ‘A’ লেখা হয় । কারেন্ট
পরিমাপের যন্ত্রের নাম Ampere Meter (অ্যাম্পিয়ার
মিটার)।
কারেন্ট ২(দুই) প্রকার। (i) AC (এসি)(Alternative
Current) কারেন্ট (ii) DC (ডিসি) কারেন্ট (Direct
Current)
৩। অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে?
উত্তরঃ কোন পরিবাহীর যে কোন অংশের মধ্য দিয়ে এক
কুলাম্ব চার্জ এক সেকেন্ড সময় ধরে প্রবাহিত হলে উক্ত
পরিমান চার্জকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে। ১ কুলাম্ব =
628×1016 ইলেকট্রন চার্জ।
৪। ভোল্টেজ কি? ভোল্টেজ কিভাবে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ পরিবাহির পরমানুগুলোর ইলেকট্রনসমূহকে
স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন তাকে বিদ্যুৎ
চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। ভোল্টজ এর প্রতীক V
(ভি) এবং একক Volt ভোল্ট)। ভোল্টেজ পরিমাপের
যন্ত্রের নাম Volt Meter(ভোল্ট মিটার)।
পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স ও এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত
কারেন্ট এর গুণফল হল ভোল্টেজ।
অর্থাৎ V = IR [ভোল্টেজ = কারেন্ট X রেজিস্ট্যান্স]
৫। রেজিস্ট্যান্স কি?
উত্তরঃ পরিবাহীর মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহের সময়
পরিবাহী পদার্থের যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের কারণে তা
বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রেজিস্ট্যান্স বলে। রেজিস্ট্যান্স’এর
প্রতীক R (আর) এবং একক Ohm (ওহম)।

ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স নিয়ে কিছু কথা

ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং
কোর্স নিয়ে কিছু কথা ,
তথ্যটি নিজে পড়ুন এবং Share করে সবাইকে
জানিয়ে
দিন,
গত কয়েক মাস ধরে-
আলোচনা সমালোচনার
বিষয় -ডিপ্লোমা ইন
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের
সনদের মান কিসের
সমমান ?
বেশির ভাগ লোকই বলছে
এইচএসসি সমমান |
অথচ তারা প্রমাণ হিসেবে
কিছু চাকরি বিজ্ঞপ্তি ছাড়া
আর কিছুই উপস্থাপন করতে
পারছে না |
অথচ বাংলাদেশ সরকারের
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক
শিক্ষাবোর্ডের সরকারি ওয়েব
সাইট ঘুরে দেখা যায় -
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং
কোর্সের মান গ্রেড-১৪ |
যেখানে এইচএসসি'র
মান গ্রেড-১২ |
এবং অনার্সের মান
গ্রেড - ১৬ |
এছাড়া এইচএসসি কে
দেখানো হয়েছে মাধ্যমিক
শিক্ষাস্তরে আর ডিপ্লোমা
ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কে
দেখানো
হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ
শিক্ষাস্তরের মাঝামাঝি
স্থানে
|
এবার আসি চাকরি ক্ষেত্রে -
একজন এইচএসসি সনদ-ধারী
তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী
হিসেবে
চাকরিতে প্রবেশ করেন,
বেতন স্কেল -
মূল বেতন ৪৭০০/-
সর্বসাকুল্যে ৯৭৪৫/-
এবং তাকে সারাজীবন একই
পদে চাকরি করে যেতে হয়
অর্থাৎ তার কোন পদোন্নতি
হয় না |
আর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা
দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা
হিসেবে
চাকরিতে প্রবেশ করেন |
বেতন স্কেল-
মূল বেতন ৮০০০/ -সর্বসাকুল্যে ১৬৫৪০/-
তারা ক্রমে ক্রমে পদোন্নতি
পেয়ে প্রথমশ্রেনীর কর্মকর্তা
হতে পারেন |
যা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত
কাউকে পেতে হলে অন্ততপক্ষে
মাস্টার্স অথবা বিসিএসধারী
হতে হয় |
অনেকেই আবার বলছেন -
আমরা যদি ডিপ্লোমা পড়ে
আবার বিএসসি করি তবে
জেনারেলদের চেয়ে
আমাদেরকে
দুই বছর বেশি সময় ব্যয় করতে
হয় |
হ্যাঁ কথা সত্য |তবে এখানে আপনি দুটি
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী
পাচ্ছেন |
১. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং
ডিগ্রী.
২.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং
ডিগ্রী.
আর আপনি যদি এতোই
লাভ লসের হিসেব খোঁজেন
তবে - কেন এতো
প্রতিযোগিতার
ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে, নানান
ঝামেলার পাশ কাটিয়ে
ডিপ্লোমা পড়তে এলেন?
তারচেয়ে বরং ১২০/-
দিয়ে ভর্তি ফরম উঠিয়ে
যেকোন কলেজে এইচএসসি
পড়তে গেলেন না কেন?আরে ভাই-ভালো কিছু
পেতে হলে সামান্য কিছু
হলেও দিতে হয় |
এবার নিজের দেখা কিছু
অভিজ্ঞতার কথা বলি -
আমার গ্রামে প্রায় ২০ জন
আছেন যারা, অনার্স-মাস্টার্স
কম্পলিট করেও কপালে
মূলা ঝুলিয়ে টুঁ টুঁ করে ঘুরে
বেড়াচ্ছেন |
নিজের সম্মানটুকু বাচানো
যায় - এমন একটা চাকরি
পাচ্ছেন না |
( আমি এটা আক্রমণাত্মক অর্থে
বলিনি - জাস্ট এক্সাম্পল)
আর মাত্র এক জনই
আছেন যিনি ডিপ্লোমা
পড়েছেন - তিনি পাশ করার
দুমাসের মাথায় একটা
চাকরি পেয়ে যান |
গ্রামীণ শক্তিতে |
চাকরির বয়স প্রায় সাড়ে তিন
বছর |
বর্তমানে বেতন পাচ্ছেন
বিশ - বাইশ হাজার টাকা |
এরপরও কি বলবেন ডিপ্লোমা
পড়ানো
এবং পড়া উচিত না।এরপর ও কি
বলবেন
ডিপ্লোমা অনেক নিম্ন।
ডিপ্লোমা নিয়ে তাচ্ছিল্যকর কথা আর ভালো লাগে
না।

Sunday, August 16, 2015

ডিপ্লোমা বনাম বিএসসি- মুখোমুখি অবস্থানে ইঞ্জিনিয়াররা!

বিভাষ বাড়ৈ ॥ চরম বৈষম্য আর সঙ্কট কবলিত
দেশের পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাপ্য অধিকার ও যৌক্তিক
দাবি পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিএসসি
ইঞ্জিনিয়াররা? যুগের পর যুগ ধরে পলিটেকনিক
ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের
‘ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার’ বলা হলেও হঠাৎ আজ
কেন ওই শব্দ নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স
ইনস্টিটিউশন নেতাদের আপত্তি? দেশজুড়ে
আন্দোলন করা পলিটেকনিক শিক্ষার্থী,
শিক্ষক ও ডিপ্লোমাধারী পেশাজীবীদের দাবি
পূরণে সরকারের উদ্যোগের বিরুদ্ধে
ইনস্টিটিউশন নেতাদের হুমকিতে এসব প্রশ্ন
সামনে চলে এসেছে। পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের
দাবি পূরণ করা হলে সব প্রকৌশল
বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়ার হুমকির ঘটনায়
আবার অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতাদের
তৎপরতাকে ‘ইগো প্রোবলেম’ আর ‘উদ্ভট’
চিন্তার ফল অভিহিত করে এর বিরুদ্ধে
যৌক্তিক অবস্থান নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে
পলিটেকনিক শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন। তাঁরা ঘটনার
তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, হঠাৎ এ তৎপরতা
দেশকে অচল করে দেয়ার পাঁয়তারা ছাড়া কিছুই
নয়। ইঞ্জিনিয়ার শব্দ কোন একক গোষ্ঠীর
জন্য পৃথিবীতে কোথাও বরাদ্দ করা হয়নি।
বিএসসি করলে ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার’ আর
ডিপ্লোমা করলে ‘ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার’
পৃথিবীর সব দেশেই স্বীকৃত।
পলিটেকনিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী তাঁদের সংগঠন
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স
এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ বলেছেন,
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতারা গায়ের
জোরে কথা বলছেন। তাঁরা কোন যুক্তির ধার
ধারছেন না। আমরা তো দাবি করিনি যে,
আমাদের ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার’ বলতে হবে।
আমরা বলেছি আমাদের ‘ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ার’ বলতে হবে। পৃথিবীর সব দেশের
মতো এদেশেও সকলে এটা জানেন। কিন্তু এখন
হঠাৎ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতাদের
বাধা সঙ্কট তৈরি করার জন্যই। এর আগে গত
২৭ সেপ্টেম্বর দাবি পূরণে সরকারের সুনির্দিষ্ট
আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী কারিগরি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান আন্দোলন ১৫
দিনের জন্য স্থগিত করেছে পলিটেকনিক
ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। টানা চার
দিন ধরে বিক্ষোভ, অবরোধ ও ভাংচুরের
প্রেক্ষাপটে ওইদিন সচিবালয়ে সরকারের সঙ্গে
আন্দোলনকারীদের বৈঠকের পর কারিগরি ছাত্র
পরিষদ এ ঘোষণা দিয়েছিল। বৈঠকের সিদ্ধান্ত
অনুসারে ১৫ দিনের মধ্যে সরকার বিতর্কিত
একটি গেজেট সংশোধন করবে। চাকরিতে
প্রবেশের পরে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের
পদোন্নতি দেয়া হবে, শিক্ষার্থী বৃত্তির
পরিমাণও বাড়ানো হবে। ওইদিনই শিক্ষা
মন্ত্রণালয় ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের যৌথ
সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, সুপারভাইজার নয়
বরং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে যাঁরা
ডিপ্লোমা করবেন তাঁরা প্রকৌশলী হিসেবেই
বিবেচিত হবেন। তাঁরা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীই
হবেন। চাকরিতে প্রবেশের সময় তাঁরা উপ-
সহকারী প্রকৌশলী হিসেবেই বিবেচিত হবেন,
সুপারভাইজার নয়। অবরোধ ও ভাংচুরের
প্রেক্ষাপটে ২০০৮ সালের সেই গেজেট
সংশোধনসহ অন্য দাবি নিয়ে পূর্ত
মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব
সিদ্ধান্ত নেয়। পলিটেকনিকসহ কারিগরি
প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্কে জানা গেছে,
কারিগরি শিক্ষাকে দক্ষ জনশক্তি তৈরির
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে অভিহিত করা
হচ্ছে বার বার। কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবহেলা
আর সঙ্কটের মুখে পড়ে আছে এ শিক্ষাই।
কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও এর শিক্ষার্থী আর
শিক্ষাগ্রহণ শেষে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার
প্রতিটি ক্ষেত্রে কেবল উপেক্ষা আর বৈষম্য।
ভয়াবহ শিক্ষক সঙ্কট, বেতন না পাওয়ামহ
বহুমুখী অব্যবস্থাপনায় ভেঙ্গে পড়েছে খোদ
দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম।
প্রতিবছর হাজার হাজার নতুন শিক্ষার্থী নিয়ে
ডাবল শিফটে শিক্ষাদান চললেও রাজস্বভুক্ত
২০ পলিটেকনিকে খালি পড়ে আছে ৬০ শতাংশ
শিক্ষকের পদ। প্রকল্পভুক্ত ২৯টিতে ৮০
শতাংশ পদে কোন শিক্ষকই নেই। অধ্যক্ষ-
উপাধ্যক্ষ নেই অধিকাংশতেই। কোন শিক্ষক
ছাড়াই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে অসংখ্য বিভাগ
যেখানে শিক্ষার্থীদের চার বছরের ডিপ্লোমা
পাসের পর নেই উচ্চ শিক্ষারও কোন সুযোগ।
অন্যদিকে বৈষম্য যেন সঙ্গী ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ারদের। নেই স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট।
তিন যুগেও হয়না পদোন্নতি, ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ারদের অবমূল্যায়ন করে গেজেট
প্রকাশ হলেও সরকারী অবহেলার কারণে দীর্ঘ
ছয় বছরেও তা বাতিলের উদ্যোগ নেই। বছরের
পর বছর ধরে অবহেলার শিকার হয়েই সম্প্রতি
দেশজুড়ে আন্দোলনে নামেন শিক্ষক-
শিক্ষার্থীসহ এর সঙ্গে জড়িতরা। শিক্ষকরা
আক্ষেপ করে বলেন, এমন সঙ্কট রেখে
ডিল্পোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো
প্রায়োগিক শিক্ষা প্রদান করা মানে হচ্ছে
শিক্ষার নামে প্রহসন। অবহেলার কারণে
যেখানে আসছে শিক্ষার্থীরাও। বর্তমানে এ
শিক্ষায় শিক্ষিতের হার মাত্র ৩ শতাংশ।
অথচ উন্নত দেশগুলোতে এ হার ৪০ থেকে ৬০
শতাংশ। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা সরকারের
কাছে দ্রুত সঙ্কট নিরসনের দাবি জানিয়ে
বলেছেন, আমাদের শিক্ষাজীবন বাঁচান।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষক সমিতি
ফেডারেশনের সভাপতি ও শ্যামলী আইডিয়াল
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ এম এ
সাত্তার এ খাতের অবহেলা আর সঙ্কটের কথা
উল্লেখ করে বলেন, যে অবস্থা তাতে এই
শিক্ষায় বেশি মানুষকে আগ্রহী করে তোলা
কঠিন। রীতিমতো অসম্ভব। সম্প্রতি হঠাৎ
শিক্ষার্থীদের সব পরীক্ষার ফি বৃদ্ধির
সমালোচনা করে তিনি বলেন, এখানে পড়ে
সাধারণ পরিবারের সন্তানরা। এখানে
প্রয়োজনে উৎসাহ বাড়াতে হবে। কিন্তু করা হয়
তার উল্টো। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের
বৈষম্যই যেন সঙ্গী। কারিগরি পেশাজীবী হয়েও
অন্য কারিগরি পেশাজীবীদের ন্যায় ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়াররা দীর্ঘদিন থেকে স্পেশাল
ইনক্রিমেন্ট থেকে বঞ্চিত। ফলে ন্যায্য
অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ার ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং
ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি
হয়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয় থেকে একাধিক তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও
অদৃশ্য শক্তির কারসাজিতে ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ারদের স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট প্রদান
করা হচ্ছে না। এদিকে ২০০৮ সালের পূর্ত
মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে
ইঞ্জিনিয়ারের সংজ্ঞায় কেবল গ্র্যাজুয়েট
প্রকৌশলীদের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে উল্লেখ
করা হয়েছে এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের
বলা হয়েছে সুপারভাইজার। যেখানে
ইঞ্জিনিয়ারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, কেবল
গ্রাজুয়েট প্রকৌশলীরাই ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে
স্বীকৃতি পাবে। আর ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা
হবে সুপারভাইজার। ফলে জাতীয় ও
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইঞ্জিনিয়ারিং
সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত এবং দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং
কর্মকা-ের প্রায় ৮০-৯০ ভাগ কাজ সুষ্ঠুভাবে
বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশার
সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় ২৭ সেপ্টেম্বর আগের
বিতর্কিত গেজেট বাতিল করে সঙ্কট আর
বৈষম্য নিরসনের উদ্যোগ নেয় সরকার। কিন্তু
বৃহস্পতিবার হঠাৎ ওই দাবি পূরণ করা হলে
সারাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে
দেয়ার হুমকি দিয়েছেন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের
সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতারা।
কোন যুক্তি দাঁড় করাতে না পাড়লেও এক
প্রতিবাদ সমাবেশে তাঁরা দাবি করেন,
প্রকৌশল পেশা ধ্বংসের জন্য নানামুখী
চক্রান্ত চলছে। হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থের জন্য
প্রকৌশলীর সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হচ্ছে, এটা
আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মানের পরিপন্থী।
আমরা এটা করতে দিতে পারি না। সবার আগে
মেধার মূল্যায়ন করতে হবে। মেধার যোগ্যতায়
যিনি যে পদে যেতে পারেন তিনি সে পদে যাবেন।
এ ক্ষেত্রে কারও কোন আপত্তি থাকবে না।
তাঁদের দাবি, তাঁরা ছাড়া কারও নামের সঙ্গে
ইঞ্জিনিয়ার শব্দ ব্যবহার করার যাবে না।
বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় গুটিকয়েক সচিবরা
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের অযৌক্তিক দাবি
পূরণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নিয়ম ভঙ্গ
করে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করে
তাঁদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চান। কর্মসূচী
থেকে ৭ দফা দাবি উপস্থাপন করেন আইইবির
সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোঃ কাইউম। এ দাবি
বাস্তবায়ন না হলে তিন সপ্তাহব্যাপী
আন্দোলন কর্মসূচীর ঘোষণা দেন তিনি। তবে
সঙ্গে সঙ্গেই এর প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে
পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-
শিক্ষার্থী ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের
সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান হঠাৎ
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতাদের
তৎপরতার তীব্র সমালোচনা করে বলেন,
ইঞ্জিনিয়ার শব্দ কারও একক গোষ্ঠীর জন্য
পৃথিবীতে কোথাও বরাদ্দ করা হয়নি। বিএসসি
করলে ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার’ আর ডিপ্লোমা
করলে ‘ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার’ পৃথিবীর সব
দেশেই স্বীকৃত। পৃথিবীর কোন দেশে
ডিপ্লোমাধারীদের ‘ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার
বললে অন্যদের মর্যাদা হানি হয় না, কেবল
আমাদের দেশের ওনাদের হয়। দক্ষতা ও
যোগ্যতা নয়, কেবল ডিগ্রীর ওপর ভিত্তি করে
পদোন্নতি দেয়ার দাবির সমালোচনা করে
তিনি বলেন, দক্ষতা ও যোগ্যতা দেখা হবে না
এ ধরনের কথা উদ্ভট চিন্তা ছাড়া কিছু নয়।
পৃথিবীর সব দেশেই সবকিছু দেখেই পদোন্নতি
হয়। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতাদের
অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করে বাংলাদেশ
পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ
ইদ্রিস আলী বলেন, ওনারা গায়ের জোরে কথা
বলছেন। ওনারাই কেবল মেধাবী বলে প্রচার
চালাচ্ছেন। তাঁরা কেবল বিদ্বেষ ছড়াতেই এসব
করছেন। তিনি বলেন, আমরা তো দাবি করিনি
যে, আমাদের ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার’ বলতে হবে।
আমরা বলেছি আমাদের ‘ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ার’ বলতে হবে। পৃথিবীর সব দেশের
মতো এদেশেও সবাই এটা জানেন। কিন্তু এখন
হঠাৎ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন নেতাদের
বাধা সঙ্কট তৈরি করার জন্যই। এক প্রশ্নের
জবাবে তিনি বলেন, আমরা দেখব। সরকার
বলেছে ১৫ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করবে।
এই সময়টা আমরা অবশ্যই দেখব। তবে
অযৌক্তিক দাবির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান
থাকবে।